কৃষি কার্ডের মাধ্যমে রাঙ্গামাটিতে ডিজেল বিক্রি

রাঙ্গামাটিতে কৃষকদের ভোগান্তি ও কৃষি কাজ চলমান রাখা্র লক্ষ্যে কৃষিকার্ডের মাধ্যমে ডিজেল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে শহরের চারটি ফিলিং স্টেশনের মাঝে তিনটিতে রুটিন অনুযায়ী কৃষকদের মাঝে ডিজেল দেয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সপ্তাহের তিনদিন ডিজেল এবং তিনদিন অকটেন বিক্রির সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও নির্ধারিত সময় বেঁধে দেওয়ার কারণে অনেক কৃষক দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছেন।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে পাম্পে তেল মজুত থাকলেও সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিভিন্ন দুর্গম এলাকা থেকে আসা কৃষক, জেলে ও পণ্যবাহী বিভিন্ন যানবাহন চালকদের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ফিলিং স্টেশনের ট্যাগ অফিসার ও কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক অরুণ চন্দ্র রায় বলেন, “কৃষিকার্ড ব্যবস্থা চালু হওয়ায় প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করা সহজ হয়েছে। আমরা তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে তেল সরবরাহ করছি।“

কৃষকরা অভিযোগ করেছেন আগে প্রতিদিন জমিতে সেচ দিতে পারলেও বর্তমানে তেলের সংকটের কারণে একদিন বা দুইদিন পর পর পানি দিতে হচ্ছে। এদিকে বৃষ্টি না হওয়াতে জমির মাটি ফেটে যাচ্ছে এবং ধানের চারা শুকিয়ে মরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত সময়সীমা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত তেল সরবরাহের দাবি জানান।

কৃষক সুশোভন চাকমা বলেন, “আজ ২০ দিন হয়ে গেলো ধানের জমিতে পানি দিয়েছি, এদিকে বৃষ্টিও হচ্ছেনা। পাম্পে ভোর ৪টায় এসে তেলের জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়েও অনেক সময় তেল পাচ্ছিনা।এভাবে তো আমরা বাঁচবো না।“