ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর মধ্যে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে।
সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে বায়ুমান সূচক (একিউআই) ১৩৭ ছিল।
বায়ুর গুণমান সূচক বা একিউআই স্কেল অনুসারে, একে শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী ব্যক্তি এবং হৃদরোগ বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্তদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বলা হচ্ছে।
একিউআই মান অনুযায়ী, ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে রিডিংকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০-কে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০-কে ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর উপরের মাত্রাকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে।
বায়ুর গুণমান সূচক (একিউআই), যা বায়ুর গুণমান সম্পর্কে দৈনিক হালনাগাদ তথ্য প্রদান করে। বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাবগুলো তুলে ধরে।
বাংলাদেশে, পাঁচটি প্রধান দূষকের উপর ভিত্তি করে একিউআই গণনা করা হয়। বিশেষ করে ধূলিকণা, নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড এবং ওজন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণের সঙ্গে লড়াই করে আসছে, যেখানে সাধারণত শীতকালে বায়ুর গুণমান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে উন্নতি ঘটে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, বায়ু দূষণের কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর প্রায় ৭০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে।
যার প্রধান কারণগুলো হলো- স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ।