শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চ স্থানে নিয়ে যাবে বলে আশা করছি।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ জ্ঞান বিনিময় করিডোর উদ্বোধন ও এডুকেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। দ্বিতীয় পর্যায়েও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের সুযোগ থাকছে।
তিনি বলেন, “পাকিস্তানি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য মাসিক যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে সহায়ক হবে।”
মিলন বলেন, “পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ধর্ম, সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে।”
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করছি। আমাদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে। আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ খুবই সফল হবে বলে প্রত্যাশা করি।”
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, পাকিস্তান থেকেও শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আসবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, “আমাদের ১১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। আরও বেশ কিছু আসার পথে। এর মধ্যে ৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয় ভালো করছে। তবে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষা ও জ্ঞান বিনিময় আমি সমর্থন করি। এটি আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে।”
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষাসচিব আব্দুল খালেক, পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।