মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ানো হলো

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সহকারী একান্ত সচিবদের (এপিএস) বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি এপিএসদের নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরির বাইরে থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদাসহ) এপিএস এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের অভিপ্রায়ে নিযুক্ত তাদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে অর্থাৎ ৩২,৫৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসরা এত দিন বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২,০০০ টাকা মূল বেতনে নিয়োগ পেতেন। কোনো কোনো এপিএসের বেতন নবম গ্রেডে বেশ কয়েকটি ইনক্রিমেন্ট যোগ করে নির্ধারণ করা হতো।

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় উপদেষ্টাদের এপিএসদের নিয়োগ বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে তাদের বেতন নবম গ্রেডের সর্বোচ্চ ধাপে অর্থাৎ ৫৩,০৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তখন এ নিয়ে সমালোচনা দেখা দেয়।

এর আগে, গত ৩১ মার্চ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসদের বেতন গ্রেড নির্ধারণের বিষয়ে মতামত চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এরপর এপিএসদের নতুন বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে দিয়ে অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এপিএসদের মূল বেতন ৩২,৫৪০ টাকা নির্ধারিত। কোনো বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না। তারা বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতা পাবেন। কোনো প্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না।

এই মূল বেতন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) সহকারী একান্ত সচিব ও উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) একান্ত সচিব (পিএস) পদে শুধুমাত্র সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

প্রসঙ্গত, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেও মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএস নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অভিপ্রায় অনুযায়ী তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। কোনো মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এপিএস পদে সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিলে তিনি এই বেতন গ্রেডের আওতাভুক্ত হবেন না।