দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আবারও লোডশেডিংয়ের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) আওতাধীন ২১ জেলায় ১৮৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক ঘণ্টা পর পর লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েন সাধারণ মানুষ।
খুলনা মহানগরীর করিমনগরের নিবাসী মো. শামীম বলেন, “মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে ঘরে থাকা শিশুর সুরক্ষা নিয়ে চিন্তায় পড়েছি। এ অবস্থায় শিশুর গা ঘেমে সর্দি কাশি হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়।”
টুটপাড়া নিবাসী আজমল হুদা বলেন, “মঙ্গলবার সকাল থেকেই লোডশেডিংয়ে খুবই বাজে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ঈদের ছুটি ও পরবর্তী সময় ভালোই কাটছিল। আবার হঠাৎ করে লোডশেডিং সমস্যা বেড়ে গেলো।”
ওজোপাডিকো নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, উৎপাদন কম হওয়ার কারণে মঙ্গলবার কম সরবরাহ দেওয়া হয়। এ কারণে ১৮৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
ওজোপাডিকো আওতাধীন এলাকায় ১৬ জুন বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ৮২৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয় ৬৪২ মেগাওয়াট। লোডশেডিং হয় ১৮৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে খুলনায় ৫৭ মেগাওয়াট, সাতক্ষীরায় ৪ মেগাওয়াট, মাগুরায় ৬ মেগাওয়াট, কুষ্টিয়ায় ১৭ মেগাওয়াট, ঝিনাইদহে ১৩ মেগাওয়াট, চুয়াডাঙ্গায় ৯ মেগাওয়াট, ফরিদপুরে ১০ মেগাওয়াট, রাজবাড়ীতে ১২ মেগাওয়াট, মাদারীপুরে ৪ মেগাওয়াট, শরীয়তপুরে ২ মেগাওয়াট, গোপালগঞ্জে ৬ মেগাওয়াট, বরিশালে ২৭ মেগাওয়াট, ঝালকাঠিতে ২ মেগাওয়াট, পিরোজপুরে ৫ মেগাওয়াট, পটুয়াখালীতে ৭ মেগাওয়াট, বরগুনায় ৩ মেগাওয়াট, ভোলায় ১ মেগাওয়াট।
১৬ জুন খুলনা জোনে ১০ জেলায় বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ৬৪৬ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয় ৫০৬ মেগাওয়াট। ১৪০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়।
বরিশাল জোন ১৬ জুন চাহিদা ছিল ১৮১ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয় ১৩৬ মেগাওয়াট। লোডশেডিং হয় ৪৫ মেগাওয়াট।