খুলনায় রূপসা, পশুর, ইছামতি, শিবসা, বেতনা, খোলপেটুয়াসহ মোট ৬টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) খুলনার হাউড্রোলিক বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রে জানা যায়, বেতনা খোলপেটুয়া নদীর প্রতাপনগর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
১৩ জুলাই সকাল সোয়া ১০টায় এ নদীর পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ২.১৬ মিটার। যেখানে এ পয়েন্টে ১.৮৫ মিটারের ওপর পানি ওঠা মানেই তা বিপৎসীমা অতিক্রম করা।
ইছামতি নদীর বসন্তপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইছামতি নদীর কৈখালী পয়েন্ট বিপৎসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রূপসা পশুর নদীর চালনা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রূপসা পশুর নদীর মোংলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১.২৫ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে পানি প্রবাহের বিপৎসীমা ১.২০ মিটার। সকাল পৌনে ১১টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ২.৪৫ মিটার।
শিবসা নদীর পাইকগাছা পয়েন্ট বিপৎসীমার ১.৩২ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১.৩৫ মিটার। সকাল ১১টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ২.৬৭ মিটার।
এ নদীর নলিয়ানালা পয়েন্টে বিপৎসীমা ১.৯৫ মিটার, আর পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। বেলা ১১টায় পানি প্রবাহের মাত্রা ছিল ২.৩৫ মিটার।
এছাড়া দড়াটানা নদীর বাগেরহাট পয়েন্টে বিপৎসীমা ২.২০ মিটার, সকাল সাড়ে ১১ টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ২.০৮ মিটার। গড়াই মধুমতি নদীর রায়েন্দা পয়েন্টে বিপদসীমা ২.২০ মিটার, বেলা পৌনে ১২টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ১.৭ মিটার।
ইছামতি নদীর সাকরা পয়েন্টে বিপৎসীমা ৩.২৫ মিটার, বেলা পৌনে ১২ টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ২.৭৭ মিটার। কপোতাক্ষ নদীর তালা মাগুরা পয়েন্টে বিপদসীমা ২.৬৫ মিটার, বেলা দেড় টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ২.৬৩ মিটার।
কপোতাক্ষ নদীর চাঁদখালী পয়েন্টে বিপৎসীমা ২.৩০ মিটার, সকাল সাড়ে ১০ টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ১.৬২ মিটার। রূপসা পশুর নদীর খুলনা পয়েন্টে বিপৎসীমা ২.৫০ মিটার, দুপুর ১২ টায় পানি প্রবাহের লেবেল ছিল ২.১৭ মিটার।