ফেরি থেকে পড়ে যান মাঝ পদ্মায়, কচুরিপানা ধরে ৪ ঘণ্টা ভেসেছিলেন তিনি

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া উপজেলায় “কুমিল্লা”  নামের ফেরি থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ৪ ঘণ্টা পরে এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানা গেছে।

ওই নারীর নাম মোসা. লাইজু (৩৯)। ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার আশ্রাফাবাদ ঝাউচর এলাকার ফোরকান মিয়ার স্ত্রী তিনি।

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে “কুমিল্লা” নামের ফেরিটি দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। রাত আটটার দিকে ডেকের অংশ থেকে নদীতে পড়ে যান ওই নারী। 

কচুরিপানা ধরে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ভাটিতে ভেসে যাওয়ার পর ফরিদপুরের কবিরপুর চর এলাকায় পৌঁছুলে থেকে তাকে উদ্ধার করেন স্থানীয় চার যুবক। তারা স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের হেফাজতে রাখেন তাকে। 

এদিকে, তার পড়ে যাওয়ার খবরটি দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি)  দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের জানান ফেরির মাস্টার। দুই ঘাটের নৌ পুলিশ ফাঁড়িকেও জানানো হয়।

দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক ত্রিনাথ সাহা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার কবিরপুর চর এলাকায় ওই নারীকে উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।

পরে সকাল ছয়টার দিকে তাকে ফাঁড়িতে নেওয়া হয়। এরপর সকালেই তার বোনের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।