কেরানীগঞ্জে নিখোঁজের পর কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

কেরানীগঞ্জে এক সপ্তাহের ব্যবধানে তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) তানজিলা (১৭) নামে এক কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ।

কালিন্দী ইউনিয়নের গদারবাগ গ্রিন সিটি সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তানজিলা বাঘৈর রাজেন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন বালুর মাঠ এলাকায় কিশোরীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়ি রাজেন্দ্রপুর থেকে কালিন্দীতে খালার বাড়িতে যায় তানজিলা। দুপুরে খাওয়াদাওয়া শেষে বিকেল ৩টার দিকে বাড়ির উদ্দেশে বের হয় সে। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল তানজিলা। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরদিন সকালে গদারবাগ গ্রিন সিটি-সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকায় তার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পরিবার। পরে নিহতের মা মরদেহটি তানজিলার বলে শনাক্ত করেন।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. মামুন বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে, কেরানীগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ে পৃথক দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে। গত ২১ জুলাই খোলামোড়া মডেল টাউন এলাকা থেকে রুহুল আমিন (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, ঋণের চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন।

এর পাঁচ দিন পর, ২৬ জুলাই একই এলাকা থেকে মমতাজ (৩০) নামে এক যুবতীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দুটি ঘটনাই পৃথকভাবে তদন্ত করছে পুলিশ।