ছাত্রীর মেসেঞ্জারে অশ্লীল বার্তা, অভিযুক্ত আইটি শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় ফেসবুক মেসেঞ্জারে এক ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রেক্ষিতে ছাত্রীর বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, আর এ নিয়ে এলাকায় দেখা দিয়েছে ব্যাপক সমালোচনা।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মো. ইমরুল কায়েস রবিন। তিনি উপজেলার সুটিয়াকাঠি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট (আইটি শিক্ষক) হিসেবে কর্মরত।

ছাত্রীর বাবা জানান, তার স্ত্রীর ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি মাঝে মাঝে তাদের মেয়ে ব্যবহার করত। সেই সূত্র ধরেই ওই অ্যাকাউন্টের মেসেঞ্জারে ছাত্রীকে অশালীন ও অনৈতিক বার্তা পাঠাতেন শিক্ষক ইমরুল কায়েস রবিন। বিষয়টি জানার পর তিনি প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। তবে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তিনি থানায় জিডি করেন।

অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষক মো. ইমরুল কায়েস রবিন দাবি করেন, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছিল, পরে তিনি আইডি পরিবর্তন করেছেন। তবে হ্যাকের সঠিক সময় বা এ নিয়ে থানায় কোনো অভিযোগ করেছেন কি না এসব প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

সুটিয়াকাঠি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম মিন্টু জানান, বিষয়টি জানার পর শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল, তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান জানান, ঘটনা তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।