ফেনীর পরশুরামে মেয়ের কবিরাজি চিকিৎসা করাতে এসে এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৪ থেকে ৫ জন যুবক জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নিজে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে, তবে বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামে বসবাস করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাকি ও লিমা নামের দুই নারীর সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে বুধবার বিকেলে কবিরাজি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে পরশুরামে আসেন তিনি। সিএনজি স্টেশনে নামার পর কয়েকজন তাকে কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাতে থাকে।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাতে তাকে একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কয়েকজন যুবক তাকে ধর্ষণ করে। এসময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকাসহ অন্যান্য জিনিসপত্রও ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, ফজরের আগে সড়কে কাঁদতে থাকা অবস্থায় তিনি ওই নারীকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখেন। পরে ভোরে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির কাছে নারীটি ধর্ষণের অভিযোগ জানান, এরপর তাকে থানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, এ ঘটনার পেছনে কোনো প্রতারক চক্র বা সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী জড়িত থাকতে পারে যদিও বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।
পরশুরাম থানা পুলিশ ইতোমধ্যে ভুক্তভোগীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
এ বিষয়ে পরশুরাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীর অভিযোগ যাচাই-বাছাই চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে এবং অভিযোগের সত্যতা মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”