চাঁদপুরে আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার দলঘাট দাসপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা রোডের আখন্দ মার্কেটে ‘এস কে জুয়েলার্স অ্যান্ড শিল্পালয়’ নামে একটি দোকান আছে পিন্টু দাসের। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে শহরের কালীবাড়ি মন্দির এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার বাসা ও দোকান এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তালাবদ্ধ। তিনি বন্ধকি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকাপয়সা আত্মসাৎ করে সপরিবার পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।
পিন্টু দাসের নিখোঁজ বা আত্মগোপনের যাওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়ার দলঘাট দাসপাড়ায় নিজবাড়ি থেকে পিন্টু দাসকে (৪৫) আটক করা হয়। চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশের একটি দল পিন্টু দাসকে নিয়ে সড়কপথে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।
চাঁদপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কালাম গাজী জানান, পিন্টু দাসের নিখোঁজের বিষয়ে তার বাসার মালিক রাসেল খান গত ২২ আগস্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর পুলিশের একাধিক দল চাঁদপুর ও কুমিল্লায় তার আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের কাছে খোঁজ নেয়। পরে তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলে পটিয়ায় অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পটিয়ার দলঘাট দাসপাড়ায় পিন্টু দাসের নিজ বাড়ি থেকে তাকে পরিবারের সদস্যসহ আটক করা হয়। পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে সড়কপথে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, “পিন্টু দাস আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তাকারী এক ট্রাকচালকের কাছ থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।”
তিনি আরও বলেন, “পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পাওনাদারদের কেউ মামলা করলে অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”