দেশে ফেরার পথে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে এক তরুণীকে ১০ দিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই তরুণী ভারত থেকে ফিরছিলেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী তরুণী কানাইঘাট থানায় মামলা করেন। এরপর নাঈম উদ্দিন (২২) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদপূর্ব ইউনিয়নের দনা পাত্তিছড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শেরপুর জেলার বাসিন্দা ওই তরুণী প্রায় ৯ মাস আগে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। হায়দ্রাবাদে তার কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে।
গত ২০ আগস্ট জাহাঙ্গীর নামের এক আত্মীয়র সহযোগিতায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করলে বিএসএফের হাতে আটক হন ওই তরুণী। পরে তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে কানাইঘাটের দনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
সীমান্ত অতিক্রমের পর স্থানীয় শানুর আহমদ, নাঈম উদ্দিন, কাওছারসহ ছয় যুবক তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অপহরণ করেন। পরে তাকে শানুরের বাড়িতে আটকে রেখে টানা ১০ দিন পাশবিক নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নাজিম উদ্দিনের সহায়তায় ওই তরুণী বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। এরপর বুধবার কানাইঘাট থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মামলার দুই নম্বর আসামি নাঈম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী তরুণীকে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।