গাজীপুরে কালভার্টের নিচ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহের খণ্ডিত অর্ধাংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কালভার্টের নিচ থেকে লাগেজ এবং পানিতে ভাসতে থাকা পাটের বস্তা থেকে শরীরের অন্যান্য অংশ উদ্ধার করা হয়।
কালভার্টে মরদেহ পড়ে থাকার খবরে শতশত উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় করে। জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভবানীপুর এলাকার একটি কালভার্ট থেকে ওই নারীর অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ভবানীপুর এলাকার ওই কালভার্টের পানিতে লাগেজ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। লাগেজের ভেতর থেকে পা বের হওয়া অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে কালভার্ট থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহের (কোমরের নিচের) খণ্ডিত অর্ধাংশ উদ্ধার করে। এর কিছুক্ষণ পর ওই কালভার্টের পাশে পানিতে পাটের বস্তা ভাসতে দেখে। বস্তাটি খুললে ভেতর থেকে নারীর মাথা ও শরীরের অন্যান্য অংশ পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নারীকে হত্যা করে মরদেহ আলাদা করে লাগেজ ও বস্তায় ভরে কালভার্টে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানায়, প্রথমে খালের পানিতে লাগেজটি ভাসতে দেখে তারা কাছে যান। পরে লাগেজের ভেতর মানুষের পা দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানানো হয়। পরবর্তীতে কালভার্টের একটু দূরে পানিতে ভাসতে থাকা বস্তা উদ্ধার করলে মরদেহের বাকি অংশ পাওয়া যায়।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত নারীর পরিচয় এবং হত্যার কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডেকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন জানান, ধারনা করা হচ্ছে অজ্ঞাত ওই নারীকে দুর্বৃত্তরা অন্য কোথাও হত্যা করে লাগেজে ভরে রাতের আঁধারে কালভার্টের নিচে ফেলে যায়। কোথায় এবং কেন ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।