৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পুঁতে রাখা হয় ঘরের মেঝেতে

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে। 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরে জামিনুর ইসলাম (৩২) নামে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশিস রায়।

নিহত শিশুটির বাড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়নে। সে ওই উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। 

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় শিশুটি। এরপর থেকে শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন শিশুটির বাবা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ওই ব্যক্তির বাসার মেঝে খুঁড়ে মাটির নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি ও তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধর্ষণের উদ্দেশে শিশুটিকে তার ঘরে নিয়ে গিয়েছিল ওই ব্যক্তি। পরে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে মাটি চাপা দিয়ে রাখে।  অভিযুক্তের স্ত্রী বিষয়টি বুঝতে পারলে, তাকেও বিষয়টি গোপন রাখতে বলে সে।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, “শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জামিনুর ইসলাম ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে জামিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”

শিশুটির মরদেহ পাওয়ার খবরে ভেঙে পড়েছে শিশুটির বাবা। তিনি বলেন, “আমার এতো ছোট সন্তানকে যে এভাবে মেরে ফেললো আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”