জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে এবং মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট উজ. হুসেইন মোহামেদ লতিফ।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে দেশ দুটির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করা, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি জনগণের কল্যাণে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন নেতারা।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেন। এরপর তিনি যোগ দেন সাধারণ অধিবেশনে।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে এটি হবে তার প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ, যা তিনি বাংলায় দেবেন বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন। একই দিন রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক এক সাইড ইভেন্টে রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবেন তিনি।
এছাড়া ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেন আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক এক সভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। বিকেলে যোগ দেবেন জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত “ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন” শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের সভায়।
২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন তিনি। এ সভায় জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, লস অ্যান্ড ড্যামেজ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরবেন তিনি।