অবৈধভাবে বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে রিফিল করে এলপিজি গ্যাস বিক্রি, জরিমানা

সাভারের আশুলিয়ায় বাড়তি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ও নানা অনিয়মের দায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকালে আশুলিয়ার কাঠগড়া ও কুটুরিয়া এলাকায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো. হাসানুজ্জামান।

অভিযান চলাকালে, অবৈধভাবে বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে রিফিল করে এলপিজি গ্যাস বিক্রির চেষ্টা করছিল ইকবাল এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে সরকার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা, ক্রয় রসিদ দেখাতে না পারা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা-এসব অনিয়মের কারণে ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ ও ঝুকিপূর্ণ কাজ পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায় ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, হাজী আব্দুর রহমান এন্টারপ্রাইজে এলপি গ্যাসের ক্রয়মূল্য, বিক্রয়মূল্য ও প্রদর্শিত মূল্য তালিকার মধ্যে সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, “এভাবে এক সিলিন্ডার থেকে অন্য সিলিন্ডারে গ্যাস রিফিল করা আইনসঙ্গত নয়। এতে ভোক্তারা কম ওজনের গ্যাস পাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েন। একই সঙ্গে এ ধরনের কার্যক্রম বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এসব অনিয়মের কারণে ইকবাল এন্টারপ্রাইজকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্ক করে নজরদারিতে রাখা হবে বলে জানান তিনি।”

তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যতে একই ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানের মালামাল জব্দের পাশাপাশি লাইসেন্স বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।”

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এলপি গ্যাসের মূল্য ও বিক্রয় কার্যক্রমে অনিয়ম ঠেকাতে নিয়মিত বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে।