নেত্রকোনার মদনে নিখোঁজের দুই দিন পর মগড়া নদী থেকে লতিফ মিয়া নামে এক কৃষকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে দক্ষিণ বালালী গ্রামের মৃত গেদু মিয়ার বাড়ির পেছনে নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। লতিফ মিয়া বাঘমারা গ্রামের বাসিন্দা।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৫ নভেম্বর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি লতিফ মিয়া। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। শনিবার মগড়া নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের স্ত্রী হেভেনা আক্তার মরদেহটি শনাক্ত করেন। মরদেহের কপালে ছিদ্রযুক্ত জখমের চিহ্ন রয়েছে।
তিয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান জানান, মরদেহের পকেটে একটি চাবি পাওয়া যায়। ওই চাবি দিয়ে পুলিশ লতিফ মিয়ার বাড়ির দরজা খোলে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি তার বলে শনাক্ত করেন।
স্বজন ও পুলিশ মৃত্যুটিকে রহস্যজনক বলে মনে করছে। হেভেনা আক্তার জানান, তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।
ওসি (তদন্ত) ওয়াসিম কুমার তালুকদার জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।