কাপড়ে মিশিয়ে স্বর্ণ চোরাচালান, পুড়িয়ে উদ্ধার

প্রতিনিয়তই অভিনব সব কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে স্বর্ণ চোরাচালানকারীরা।এবার ধরা পড়লো  কাপড়ে স্বর্ণ মিশিয়ে চোরাচালানের নতুন এক কৌশল। দুবাই থেকে আসা ৩ যাত্রী কাপড়ে স্বর্ণ মিশিয়ে চোরাচালানের সময় ধরা পড়েছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। পরে তাদের কাপড় পুড়িয়ে উদ্ধার করা হয় ১ কেজি ৩৯৩ গ্রাম স্বর্ণ।

এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা আরও প্রায় এক কেজি স্বর্ণের বার ও অলংকার জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টম হাউজ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন।

শনিবারের (২১ অক্টোবর) এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন- আলী আকবর, রফিকুল ইসলাম ও মো. রুবেল।

এ বিষয়ে ঢাকা কাস্টম হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল  ইসলাম জানান, যাত্রী আলী আকবর, রফিকুল ইসলাম ও মো. রুবেল দুবাই হতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনের ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। শনিবার  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে রেড চ্যানেল দিয়ে প্রবেশ করে প্রত্যেকে ২৩২ গ্রাম ওজনের ২টি করে স্বর্ণবারের ঘোষণা দিয়ে শুল্ক প্রদান করেন। পরে গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তাদের কাছে ঘোষণা ছাড়া আর কোনো পণ্য কিংবা স্বর্ণবার আছে কিনা জানতে চান কাস্টম হাউজের প্রিভেনটিভ কর্মকর্তারা। যাত্রীরা তাদের কাছে থাকা ২টি করে স্বর্ণবার এবং ৯৮ গ্রাম করে স্বর্ণালংকার ছাড়া আর কোনো শুল্কযুক্ত পণ্য নেই বলে জানান।

শফিকুল  ইসলাম জানান, অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্য যাত্রীদেরকে আর্চওয়ের মধ্যে নিয়ে চেক করা হলে ধাতব পদার্থ থাকার সংকেত পাওয়া যায়। এরপর তল্লাশি করা হলে যাত্রীদের শর্ট-প্যান্টে অভিনব কায়দায় আটকানো পেস্ট আকারের স্বর্ণ পাওয়া যায়। পরে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের  উপস্থিতিতে ওই ৩ যাত্রীর শর্ট-প্যান্ট খুলে স্বর্ণকারের সহায়তায় তা আগুনে পুড়িয়ে এবং এসিডে ধৌত করে পেস্ট আকারে স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

তাদের সঙ্গে থাকা আটক স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে কাস্টমস আইনে বিমানবন্দর থানায় ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানায় ঢাকা কাস্টম হাউজ।