ঢাকা মেডিকেলে বিডিআর বিদ্রোহ মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দির মৃত্যু

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবদুল বাতেন (৭০)। তিনি বিডিআর সদস্য ছিলেন।২০০৯ সালের “বিডিআর বিদ্রোহ”র সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

শুক্রবার দিবাগত রাত (২৫ ফেব্রুয়ারি) দেড়টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “শুক্রবার রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বাতেন অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাত দেড়টার দিকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।”

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী “বিডিআর সপ্তাহ” চলাকালে পিলখানা সদর দপ্তরের দরবার হলে কয়েকশ' বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমানে বিজিবি) সদস্য সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। তারা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে।

পরদিন (২৬ ফেব্রুয়ারি) তৎকালীন সরকার ও বিডিআর বিদ্রোহীদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেনেড আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

এ ঘটনায় হত্যা ও লুটপাট এবং বিদ্রোহসহ মোট ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়।

হত্যা মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দেশের সর্ববৃহৎ এই হত্যা মামলায় ২৭৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।