রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়াসহ বিভিন্নভাবে অসুস্থ ও আহত হয়ে ৩২ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তাদের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা একজন, ফায়ারফাইটার ১৩ জন, ভলান্টিয়ার দুই জন, আনসার সদস্য দুই জন এবং বিমান বাহিনীর একজন সার্জেন্টসহ মোট ১৯ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।
চিকিৎসাধীন যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন ফায়ার সার্ভিসকর্মী রাসেল (২২), শান্ত (২৪), তৌফিক (২৩), রাজন (২৫), মিলন (২৬), সজীব (২৫), আরিফুল (২৬), কামরুজ্জামান (২৫) ও শরিফুল (২৪), রাজিব (৩০), ডিপজল (২৪), রায়হান (২২)।
বিমান বাহিনীর সদস্য সার্জেন্ট আরাফাত (৩২), আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্য সবুজ (২০), আলমগীর (৩৫), শাকিল (২৫)।
বিভিন্ন দোকানের কর্মী- রিফাত (২৩), বায়জিদ (২৫), হাসান (২০), রিমন (২৮), কামাল হোসেন (৩৩), ফিরোজ আলম (৩০), জিসান (১৮), ইয়াসিন (২৪), জীবন (২৫), স্বপন (২৩)। একটি দোকানের মালিক জীবন (৩০)।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, আগুন লাগার সাড়ে তিন ঘণ্টা পর সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুন এখনও পুরোপুরি নেভেনি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন।
এর আগে শনিবার (১৫ এপ্রিল) ভোর ৫টা ৪০ মিনিট থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস।
খবর পাওয়ার তিন মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অগ্নি নির্বাপণ সাহায্যকারী দল।
ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও মধ্যরাত পর্যন্ত দোকান খোলা রেখেছিলেন। সেহেরি খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে খবর আসে আগুনের। ব্যবসায়ীরা দ্রুত এসে দোকানের মালামাল বের করার চেষ্টা করেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৫শ' দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, গত ৪ এপ্রিল ভোর ৬টার দিকে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় রাজধানীর বঙ্গবাজার।