চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে জোড়া সিংহ ও চার জোড়া “ওয়াইল্ড বিস্ট” নিয়ে আসার কথা জানিয়েছেন চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ও চিকিৎসক শাহাদাৎ হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাত ১০টার দিকে চিড়িয়াখানায় এই প্রাণীগুলোকে নিয়ে আসা হয়।
এক কোটি ৬৯ লাখ টাকায় সিংহ, ম্যাকাও, ওয়েলবিস্ট, ক্যাঙ্গারু, লামা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে সিংহ ও ওয়েলবিস্ট প্রাণীগুলো চিড়িয়াখানায় আনা হলো। এর আগে গত ২১ অক্টোবর নেদারল্যান্ড থেকে ছয়টি ক্যাঙ্গারু ও ছয়টি লামা নিয়ে আসা হয়েছিল।
চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর জানান, প্রাণীগুলোকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ফ্যালকন ট্রেডার্সের অধীনে ১৫ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন শেষ হলে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ প্রাণীগুলো বুঝে নেবে। এছাড়া ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে এক জোড়া জলহস্তী নিয়ে আসা হবে।
জানা গেছে, চিড়িয়াখানায় নোভা ও বাদশা নামে দুটি সিংহ রয়েছে। নোভা নামের সিংহটি প্রায় ১১ বছর একা থাকার পর রংপুর চিড়িয়াখানা থেকে ২০১৬ সালে বাদশা নামের সিংহটি আনা হয়। এই দুই সিংহের বয়স ১৮ বছরের বেশি।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি চিড়িয়াখানায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে চিড়িয়াখানায় বাঘ ছাড়াও রয়েছে জেব্রা, ভাল্লুক, সিংহ, হরিণ (চিত্রা, সাম্বার, মায়া), উল্লুক, বানর, মেছো বিড়াল, চিতা বিড়াল, অজগর, বাঘডাসা, উটপাখি, ইমু পাখি, গয়াল, কুমির, ময়ূর, ঘোড়া, বক, টিয়াসহ ৭৩ প্রজাতির ৬২০টি পশুপাখি।