ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে কক্সবাজার জেলায় অকার্যকর হয়ে পড়া ২৫% মোবাইল ফোন টাওয়ার (মুঠোফোন ট্রান্সসিভার স্টেশন–বিটিএস) এখনও সচল হয়নি।
তথ্য বলছে, জেলায় মোট ৯৭৪টি মোবাইল ফোন টাওয়ার রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ২৪ ঘণ্টা পরেও ২৪৩টি টাওয়ার অকার্যকর রয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করে বিটিএস টাওয়ার। মোবাইল ফোন টাওয়ারের সীমার মধ্যে থাকলে এটি থেকে পাঠানো সংকেত গ্রহণ করে ও পাঠায়।
সোমবার পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় ২৪৩টি টাওয়ার কাজ করছে না।
বাজারের শীর্ষস্থানীয় গ্রামীণফোনের ২১৯টি টাওয়ারের মধ্যে ৬০টিই অকার্যকর। রবি আজিয়াটা লিমিটেড, যা বাংলাদেশে এয়ারটেলের সাথে একীভূত হওয়ার পর থেকে জেলায় ৪৬১টি টাওয়ারের মালিক, সোমবার বিকেল পর্যন্ত তাদের ৮৭টি কাজ করছে না।
কক্সবাজারে ১৮৫টি টাওয়ারের মালিক বাংলালিংক। তাদের ৫১টি টাওয়ার অকার্যকর।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটক বাংলাদেশ তার টাওয়ারের ১০৯টির মধ্যে ৪৫টি অকার্যকর রয়েছে।
সোমবার বিটিআরসির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্তৃপক্ষ এগুলোকে আবার চালু করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।
এতে আরও বলা হয়, কক্সবাজার জেলার বেশিরভাগ মোবাইল ইন্টারনেট সিস্টেম এখন সক্রিয়। অন্যদিকে মোবাইল অপারেটররা তাদের সাইটগুলোকে কার্যকর করার জন্য চেষ্টা করছে।
তবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে অনেক টাওয়ার চালু করা যায়নি।
বিটিআরসি জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু হওয়ার পরই টাওয়ারগুলো স্বাভাবিক কাজ শুরু করবে।
মোখা আঘাতের পরপরই রবিবার ৫০০টিরও বেশি টাওয়ার পরিষেবা থেকে ছিটকে পড়ে।
প্রায় ২৭১টি টাওয়ারের বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, তাদের আবারও সেবা চালু করার অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।