“রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের সম্মান সুরক্ষায় প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনে পৃথক ধারা সংযুক্ত করতে হবে। রাষ্ট্রধর্মের অবমাননা রাষ্ট্রদ্রোহিতা। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রধর্মের অবমাননায় এ আইনে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখতে হবে।”
শনিবার (২৬ আগস্ট) প্রেস ক্লাবের সামনে ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এসব দাবি জানান।
বক্তব্যে ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মুহাম্মদ আবু সায়েম রিমন বলেন, “প্রায়ই দেখা যায় কিছু দুষ্কৃতিকারী রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে নিয়ে কটূক্তি করে। এক্ষেত্রে পৃথক কোনো আইন না থাকায় সে অপরাধ কার্যকর উপায়ে রোধ করা যায় না।”
তিনি বলেন, “প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনে ইসলাম ধর্মের সম্মান রক্ষায় পৃথক ধারা সংযুক্ত করতে হবে। ধর্ম অবমাননাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে ঘোষণা কর সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার দাবি জানাচ্ছি আমরা।”
ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মুহম্মদ মাসউদুজ্জামান বলেন, “প্রস্তাবিত আইনের খসড়া পাঠে আমরা জানতে পেরেছি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বা ২৮ ধারার সাজা হ্রাস করা হবে, যা খুব উদ্বেগজনক। কারণ ২০১৩ সালের সাইবার ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার আগে অনলাইনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত রোধে কার্যকরী শক্ত কোনো আইন ছিল না। ফলে এ অপরাধ রোধ হচ্ছিল না। যার প্রতিক্রিয়ায় দেশে ভয়ংকর অস্থিতিশীলতা তৈরি হয় এবং শাপলা চত্বরে আন্দোলনের মতো ঘটনা ঘটে।”
তিনি বলেন, “২০১৩ সালের পর শক্ত আইন কার্যকরের মাধ্যমে অনলাইনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অপরাধ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। কিন্তু এ সাজা যদি হ্রাস বা দুর্বল করা হয় তাহলে পুনরায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অপরাধ বৃদ্ধি পাবে। যার প্রতিক্রিয়ায় দেশে আবারও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হবে।”