খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, “এক সময়কার ক্ষুধা-দরিদ্রতা ও মঙ্গাপীড়িত বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের একজন মানুষও এখন না খেয়ে নেই।” একইসঙ্গে বাংলাদেশ থেকে চাল আমদানির প্রস্তাব পাওয়ার কথা জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, “বাজারে চাল, ডাল, আটা-কোনো খাদ্যসামগ্রীর ঘাটতি নেই। ২০০৮ সালের সঙ্গে ২০২৩ সালের তুলনা করলেই বোঝা যায় দেশের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। সরকার জনগণের স্বার্থে হাজারো কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করে যাচ্ছে। এসব প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা ও সাধনার ফল।”
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “দেশে খাদ্যের নতুন আইন প্রণয়ন হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ ব্যবসা করবেন না। কেউ খাদ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মজুতদারদের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান চালানো শুরু হবে। সুখবর হচ্ছে বিদেশিরা (ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কা) আমাদের কাছ থেকে চাল কিনতে চাচ্ছে।”
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তারা বলেছিল করোনাভাইরাসে দেশে লোকজন তো মারা যাবেই, সেই সঙ্গে না খেয়ে কমপক্ষে দুই লাখ লোক মারা যাবে। কিন্তু একজন লোকও না খেয়ে মারা যাননি। মিথ্যাচার করা যাদের স্বভাব, তারা সবসময়ই মিথ্যাচার করবে।”
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম সরকার, নোয়াখালী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।