মহান বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে স্মৃতিসৌধ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি না থাকলেও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় থাকবে পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন স্থানে ওয়াচ টাওয়ার বসিয়েছি। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় ঢাকা থাকবে এই স্মৃতিসৌধ এলাকা। সাভারের আমিনবাজার থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
মো.আসাদুজ্জামান বলেন, “মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আসবেন। এরইমধ্যে আমরা সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ রেখেছি। আশপাশের এলাকায় যে জনবসতি আছে তাদের নাগরিকত্ব ফরম দিয়েছি। নতুন কোনো লোকের এলাকায় প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আশপাশের এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় অধিবাসীসহ সবার সঙ্গেই কথা বলেছি। বহিরাগত কেউ এই এলাকায় অবস্থান করলে আমাদেরকে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে।”
১৬ ডিসেম্বরের জন্য সড়ক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো হয়েছে জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, “ওইদিন ব্যাপক জমায়েত থাকবে। সে কারণে উত্তরবঙ্গ থেকে যে গাড়িগুলো ঢাকা অভিমুখে আসবে তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে চন্দ্রার মধ্যদিয়ে গাজীপুর হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করার জন্য। অন্যদিকে, মানিকগঞ্জ থেকে যে গাড়িগুলো আসবে সেগুলো যেন নবীনগরের মধ্যদিয়ে আশুলিয়া হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে। একইসঙ্গে ঢাকা থেকে মানিকগঞ্জ বা উত্তরবঙ্গের গাড়িগুলো গাবতলি থেকে বেড়িবাধ হয়ে আশুলিয়া অথবা উত্তরা হয়ে আশুলিয়ার মধ্যদিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হলো। মানিকগঞ্জে গেলেও আশুলিয়া-নবীনগর মোড় রুটটি ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করছি।”
প্রতিবারের মতো এবারও ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।