পরিবেশ রক্ষায় অবদান: ন্যাট জিও থেকে ২ লাখ টাকা অনুদান পেলেন ব্র্যাক শিক্ষার্থী

বিশ্বখ্যাত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এবং দ্য নেচার কনজারভেন্সি থেকে ২,০০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা) তহবিল পেয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান দুটির “ইকোফ্লো রিভাইভ” কমিউনিটি প্রজেক্টের আওতায় এ তহবিল পেয়েছেন হাসিবুল। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

মিঠাপানি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে হাসিবুল হাসানকে এই তহবিল দেওয়া হয়েছে।

দুই মাসের “এক্সটার্নশিপে” মিঠা পানি সংরক্ষণে সমস্যা, বিশেষ করে ঢাকার বনানী লেক এবং কড়াইলের সমস্যা নিয়ে কাজ করেছেন হাসিবুল। মানুষের জীবনযাপন কীভাবে মিঠা পানি সংরক্ষণকে প্রভাবিত করছে সেটা জানতে তিনি স্থানীয় নেতা, পরিবেশবাদী এবং সমাজের বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।

হাসিবুল হাসানের “ইকোফ্লো রিভাইভ” বনানী লেকের দূষণ এবং স্যানিটেশন সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো করাইল বস্তিতে বসবাসকারী মানুষের জন্য লেকটিকে একটি টেকসই পানির উৎসে পরিণত করা।

মিঠা পানি সংরক্ষণের বিষয়টিকে কার্যকরভাবে বোঝানোর জন্য গল্পের আকারে একটি ম্যাপ তৈরি করেছেন হাসিবুল। তিনি ১২ জন শিক্ষার্থীর গবেষণা কাজে সহায়তা করেন। তারা একসঙ্গে “ইকোফ্লো রিভাইভ” গড়ে তোলেন এবং দুটি গবেষণাপত্র তৈরি করেন।

এ সম্পর্কে হাসিবুল হাসান বলেন, “এই প্রকল্পটি আমার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করেছে। প্রকল্পটির একটি ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। ‘এক্সটার্নশিপে’ বিজ্ঞান এবং স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছি। বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে বিভিন্ন জটিল বিষয়গুলোকে সহজে সবার সামনে তুলে ধরতে শিখেছি।”

হাসিবুল হাসান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট ল্যাবের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্বে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের “ওপেন সোসাইটি ইউনিভার্সিটি নেটওয়ার্কের” গ্লোবাল এনগেজমেন্ট ফেলো।