৩৬ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও পদ্মায় ডুবে যাওয়া ২৫০ টন ওজনের ইউটিলিটি ফেরি “রজনীগন্ধা” উদ্ধার হয়নি। ফেরিটি উদ্ধার নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। এদিকে, নিখোঁজ ফেরির দ্বিতীয় ইঞ্জিনচালক হুমায়ুন কবীরেরও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ-সংরক্ষণ সার্ভিসের পরিচালক মোহাম্মদ সাজাহান ঢাকা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, “ডুবন্ত ফেরি থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে একটি ট্রাক উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে ফেরিতে ডুবে যাওয়া ৯টি যানবাহনের মধ্যে তিনটি উদ্ধার হলো। আরেকটি উদ্ধারকারী যান প্রত্যয় শুক্রবার নাগাদ আসবে। তবে তিনি জানান, প্রত্যয় দিয়েও ফেরিটি উদ্ধার সম্ভব হবে না।’’
এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, “রজনীগন্ধার ওজন ২৫০ টন; তলদেশের বালু আর পানি মিলিয়ে ফেরিটি বর্তমানে ওজন কম করে হলেও ৩৩০ থেকে ৩৫০ টন হবে। আর উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়ের সক্ষমতা ২৫০ টন পর্যন্ত।’’
মোহাম্মদ সাজাহান আরও বলেন, “ক্ষমতার বাইরে এখন বিকল্প সাপোর্ট দিয়ে ফেরিটি উদ্ধারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’’
বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ড. একেএম মতিউর জানান, “তাদের চেষ্টা থাকবে ফেরিতে থাকা সব যানবাহন উদ্ধারের। আর যদি না পারি তা হলে ফেরিসহ যানবাহন উদ্ধারে দ্রুত অল্টারনেটিভ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
তিনি আরও জানান, “দুর্ঘটনার কীভাবে হয়েছে তা তদন্ত কমিটি বের করবে। ডুবে যাওয়া ফেরিটি উদ্ধার করতে আমাদের ক্যাপাটিসি যদি না পারি তবে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের প্ল্যান করা আছে।’’