অমর একুশে বইমেলা: ধুলাবালিতে ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

ঢাকায় অমর একুশে বইমেলায় ভিড় বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ধুলাবালি। ধুলা থেকে বাঁচতে অনেকেই মাস্ক পরে বইমেলায় আসছেন। যাদের মাস্ক নেই তারা হাত দিয়ে নাকমুখ চেপে ধরে চলতে বাধ্য হচ্ছেন।

আগত দর্শনার্থী ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। 

মেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এ কে এম মুজাহিদুল ইসলাম অবশ্য মেলায় ধুলাবালি আছে এমন অভিযোগ অস্বীকার করছেনন। তিনি তাদের এক কর্মীর হোয়াটসঅ্যাপ থেকে একটি ভিডিও দেখিয়ে দাবি করেন, “মেলায় কোনো ধুলাবালি নেই।” 

তবে সরেজমিনে বইমেলা প্রাঙ্গণে ঢুকে দেখা  গেছে, ধুলো দূষণে নাকাল দর্শনার্থীরা। ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যে ধুলাবালির কারণে বিপাকে পড়েছেন তারা। অনেককেই মাস্ক পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে। কেউ কেউ মুখে হাত চেপে ধরে চলাচল করছেন।

মুজাহিদুল ইসলাম অবশ্য এবারের মেলায় অর্থাসংকটে কথা জানান। কমিটির আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ধুলা কমাতে রাতে পানি ছিটানো হচ্ছে। চলার পথে ধুলা রোধে ইট বিছানো কাজে দেয়। তবে সেজন্য বড় তহবিল প্রয়োজন।”

এদিকে দর্শনার্থী ও স্টলের বিক্রেতারা এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জিনিয়াস পাবলিকেশন্সের বিক্রেতা তাজওয়ার কাওসার বলেন, “ধুলো দূষণ গুরুতর সমস্যা। কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মেলাসংলগ্ন শাহবাগ থেকে টিএসসি এবং নীলক্ষেত থেকে টিএসসির মতো প্রধান সড়কে যানজটের কারণে ধুলোর সমস্যা আরও বেড়েছে। জ্যাম থেকে বাঁচতে পথচারীদের চলাচল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের কারণে সেন্ট্রাল লাইব্রেরি চত্বরেও ভিড় দেখা গেছে। 

বইমেলাকে ঘিরে উৎসাহের সঙ্গে সঙ্গে ধুলো দূষণের সমস্যা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সবার।