দেশজুড়ে আমের উৎপাদন নিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে গাছ থেকে আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এ অধিদপ্তরের ‘‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’’ দেশের রপ্তানি উপযোগী আমগাছ থেকে সংগ্রহের বিষয়ে একটি সময়সূচি দিয়েছে। গেল ২০ মার্চ প্রকাশিত অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংয়ে আয়োজিত সভায় এ তারিখ ঠিক হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা ও নওগাঁ কার্যালয় ইতিমধ্যে আম সংগ্রহের জন্য স্থানীয়ভাবে সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলায় এখনো আম সংগ্রহের তারিখ ঘোষিত হয়নি। তবে দুই জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, শিগগিরই তাঁরা তারিখ ঘোষণা করবেন।
রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, এখন গাছে যে আম আছে, এটি যেন অপরিপক্ব অবস্থায় সংগ্রহ না করা হয়। এটা আম বেড়ে ওঠার সময়। এখন সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় সেচ দিলে আমের আকার বড় হবে এবং ওজন বাড়বে। আমের আকার ও ওজন বাড়াতে পারলে আমের সংখ্যা কম হলেও সার্বিকভাবে উৎপাদন–ঘাটতি কমে আসবে।
উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইং সূত্রে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ২৯টি জাতের আম সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে এর মধ্যে ১০টি জাতের আম রপ্তানি করা হয়। আম পরিপক্বতার তারতম্য হয় তাপমাত্রার ভিন্নতার কারণে।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রকাশিত তালিকায় আম পাড়ার সময় নির্ধারণ দেওয়া হয়েছে। তারিখগুলো হলো, গুটি ২২ মে, গোপালভোগ ৩০ মে, ক্ষীরসাপাত/হিমসাগর ২ জুন, নাক ফজলি ৫ জুন, হাড়িভাঙ্গা/ল্যাঙড়া আম ১০ জুন, ফজলি ২৫ জুন, আম্রপালি ২০ জুন , আশ্বীনা/গৌড়মতি/কাটিমন/বারি-৪ ১০ জুলাই। মূলত এই তালিকা নওগাঁ জেলার জন্য হলেও সাতক্ষীরা জেলার জন্য পৃথক তালিকা করা হয়েছে।