কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতা ও প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার পর সহিংস পরিস্থিতিতে হামলার শিকার হয়েছে সারাদেশে পুলিশের বেশিরভাগ স্থাপনা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী ঢাকার থানা ও পুলিশ বক্স। দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত ও আহত হয়েছেন অসংখ্য পুলিশ সদস্য। এ অবস্থায় নিরাপত্তার শঙ্কায় রাজধানীর থানাগুলো ছেড়ে চলে গেছেন পুলিশ সদস্যরা। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে “পুলিশ অধস্থন কর্মচারী সংগঠন” ও “বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন”। আর এই সুযোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেড়েছে প্রকাশ্যে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর মোহম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান, সাত সমজিদ হাউজিং,৪০ ফিট এলাকায়।
এসব এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাত ১২টার দিকে একদল কিশোর পিকআপ ভ্যান নিয়ে ঘুরে ঘুরে ছিনতাই, ডাকাতি ও লুটপাটে মেতে ওঠে। তাদের হাতে ছিল ধারালো অস্ত্র।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাস্তায় নেমে আসে শিক্ষার্থীসহ এলাকার বিভিন্ন বয়সী বাসিন্দারা। তারা রাস্তার মোড়ে মোড়ে পাহড়া বসায়। ডাকাতির বিষয়ে সতর্ক করে স্থানীয় মসজিদের মাইকেও দেওয়া হয় ঘোষণা।
খবর পেয়ে রাত তিনটার দিকে মোহম্মাদপুর এলাকায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর একটি দল। এ সময় তাদের হাতে ধরা পড়ে কিশোর ডাকাত দলের ২০-২৫ জন সদস্য।
এদিকে, অস্থিতিশীল এই পরিস্থিতি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতি আহ্বান স্থানীয়দের।