কৃষি আমাদের আদি পেশা। এই পেশার মানুষকে সম্মান জানাতে হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেক কিছুই বদলাতে হবে। সেইসব বিষয়গুলোর মধ্যে প্রথমেই আমাদের কৃষিতে সংস্কার জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন আলোচকরা।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালকের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক (এএএন) কর্তৃক বাস্তবায়িত "বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খরা ও আর্সেনিক প্রবণ এলাকায় পানি সাশ্রয়ী (এডব্লিউডি) প্রযুক্তির সম্প্রসারণ প্রকল্প" অবহিতকরণ শীর্ষক এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক দীপক কুমার রায়।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি আলোচনা করেন অ্যাম্বাসি অব জাপানের সেকেন্ড সেক্রেটারি দায়েচি ইয়োসাকা, এশিয়ান আর্সেনিক নেটওয়ার্কের পরিচালক তামিকো ইশিমায়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সুশান্ত তরফদার প্রমুখ।
এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এম, শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনিস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী, এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্কের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ভূ-গর্ভস্থ পানিতে আর্সনিক দূষণ বিষয়ক গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করেন এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্কের কনসালটেন্ট মো. শামীম উদ্দিন।
টেকসই কৃষি প্রযুক্তি-২ (স্যাপ-২) বিষয়ে উপস্থাপনা করেন অধ্যাপক ড. আবিয়ার রহমান।
"বাংলাদেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলের খরা ও আর্সেনিকপ্রবণ এলাকায় পানি সাশ্রয়ী (এডব্লিউডি) প্রযুক্তির সম্প্রসারণ প্রকল্প" কার্যক্রম বিষয়ে উপস্থাপন করেন প্রকল্পের এরিয়া ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. মাহবুবুল আলম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্কের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম।