দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শনিবার রেকর্ড করা হয়েছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৪ ঘণ্টা পর রবিবার একই জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, সোমবার তাপমাত্রা আরও খানিকটা বাড়তে পারে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) দেশের পাঁচ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। আজ তা কমে এসেছে।
রবিবার ঢাকাতেও তাপমাত্রা বেড়েছে। এ দিন সকালে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা শনিবার ছিল ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রবিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, আগামী মঙ্গল বা বুধবার থেকে তাপমাত্রা আবার কমতে পারে। তবে তখনও তাপমাত্রা খুব বেশি কমবে না। রবিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও যশোরে ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জানুয়ারিতে এখন পর্যন্ত দেশে কোনো তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হয়নি। মাত্র এক দিন আগে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছিল। যাকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিবেচনা করা হয়। এর চেয়ে কমে ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলে মাঝারি এবং চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
তাপমাত্রা খুব কম না হওয়া বা শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘায়িত না হওয়ার পেছনে আরব সাগরে ক্রিয়াশীল লঘুচাপের কথা জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ।
তিনি বলেন, “উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া ভারতের বিভিন্ন এলাকা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। কিন্তু আরব সাগরে এ মাসে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ (ট্রাফ) সক্রিয়। আর এ কারণে ঠান্ডা বাতাসের প্রবাহ কমে গেছে। ঠান্ডা হাওয়া তাই সেখানে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাই এখন পর্যন্ত শীত জাঁকিয়ে বসতে পারেনি।”