তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর নানা আকাঙ্ক্ষার জন্ম হয়েছে, আর সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতেই সংস্কার এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসগুলোতে পেশিশক্তির আধিপত্য দূর করে শিক্ষার্থীদের কল্যাণকর রাজনীতির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। কারণ, তারাই আগামীর নেতৃত্ব দেবে।”
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সার্কিট হাউস রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) চত্বরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত তারুণ্যের উৎসবের সমাপন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “ছাত্রদের দেশের কল্যাণে ইতিবাচক রাজনীতি করতে হবে এবং দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে তরুণ প্রজন্ম তৈরি হয়েছে। আগামী অন্তত দুই দশক তারা বাংলাদেশকে প্রভাবিত করবে। আগামীর বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে, তা অনেকটাই তরুণদের ওপর নির্ভর করবে। যে সরকার কিংবা রাজনৈতিক দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করবে, তারাই সফলতা পাবে।”
তিনি বলেন, “২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছেন এবং জনগণের বিপক্ষে কাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদেরও দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচারের আওতায় আনা হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সভাপ্রধান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নিগার সুলতানা ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ।