চারুকলায় ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতিতে আগুন, হুঁশিয়ারি দিয়ে যা বললেন ফারুকী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদে আনন্দ শোভাযাত্রা উদযাপনের জন্য বানানো দুটি মোটিফ- ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি ও শান্তির পায়রা আগুনে পুড়ে গেছে। তবে কীভাবে পুড়েছে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

শনিবার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাবির চারুকলা অনুষদে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোটিফগুলো আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। চারুকলা অনুষদের যেখানে মোটিফ তৈরির কাজ চলছিল সেখানে আগুন লেগে এগুলো পুড়ে গেছে বলে জানা যায়। আগুনে দানবীয় ফ্যাসিবাদী মুখাকৃতির মোটিফটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে। শান্তির পায়রা মোটিফটিও আংশিক পুড়ে গেছে।

আগুন লাগার এ ঘটনাটি পরিকল্পিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম। এদিকে এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

ফারুকী তার পোস্টে লেখেন, “হাসিনার দোসররা ভোর রাতে চারুকলায় ফ্যাসিবাদের মুখাবয়ব পুড়িয়ে দিয়েছে। এই দুঃসাহস যারা দেখিয়েছে- সফট আওয়ামী লীগ হোক বা আওয়ামী বি টিম হোক- তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আসতে হবে, দ্রুত। এই শোভাযাত্রা থামানোর চেষ্টায় আওয়ামী লীগের হয়ে যারা কাজ করছে, আমরা শুধু তাদেরকে আইনের আওতায় আনবো তা না, আমরা নিশ্চিত করতে চাই এবারের শোভাযাত্রা যেনো আরও বেশী তাৎপর্যপূর্ণ হয়।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “কালকে রাতের ঘটনার পর হাসিনার দোসররা জানিয়ে দিয়ে গেল বাংলাদেশের মানুষ এক হয়ে উৎসব করুক তারা এটা চায় না। আমরা এখন আরও বেশি ডিটারমাইনড, এবং আরও বোশি সংখ্যায় অংশ নিবো।

গত কিছুদিন জুলাই আন্দোলনের পক্ষের অনেকেই বলেছিলেন, এবারের শোভাযাত্রা সবচেয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভিন্ন রকমের হচ্ছে। এখানে ফ্যাসিবাদের ঐ বিকট মুখ না রাখাই ভালো। আমরাও সব রকম মত নিয়েই ভাবছিলাম, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মত জানার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু কালকের ঘটনার পর এই দানবের উপস্থিতি আরও অবশ্যাম্ভাবী হয়ে ওঠলো। জুলাই চলমান।”