ঝিনাইদহ সদরে ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে চিকিৎসার জন্য ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (২৯ জুন) দুপুরে সদর থানার উত্তর সমশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানি হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই কিশোরীকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিন দিবাগত রাত ১টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদি হয়ে সদর থানায় প্রতিবেশি সোহেল মণ্ডলকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরপর অভিযুক্ত তানভীর হোসেন ওরফে সোহেল মণ্ডলকে (৩১) ওই গ্রামের একটি দোকান থেকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে ১২ বছর বয়সী ওই কিশোরী প্রতিবেশি সোহেল মণ্ডলের বাড়িতে যান। সেসময় সোহেল তার শিশু সন্তানকে কোলে নেওয়ার কথা বলে ওই কিশোরীকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। এরপর সন্ধ্যায় ওই কিশোরী বাড়ি ফিরে এলে তার শারীরিক যন্ত্রণা শুরু হয়। তখন তিনি তার মাকে বিষয়টি জানান। এরপরই ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হয়।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা জানান, তার মেয়ে লেখাপড়া করে না। বাড়িতেই বেশি সময় থাকে। মাঝেমধ্যে প্রতিবেশি সোহেলের বাড়িতে যায়। তার ছোট শিশুকে কোলে নেয়। রবিবারও তাদের বাড়িতে যায়। তখন সোহেল বাচ্চাকে কোলে নেওয়ার কথা বলে ঘরে ডেকে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করে। প্রশাসন যেন তদন্ত করে এর সঠিক বিচার করে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “থানায় মামলার পর অভিযুক্ত আসামি সোহেল মণ্ডলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হবে।”