সাত বিয়ে করা রবিজুল মানবপাচার মামলায় গ্রেপ্তার

সাতটি বিয়ে করা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচিত কুষ্টিয়ার সেই রবিজুল ইসলামকে মানবপাচার মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২০ জুলাই) সকালে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানা-পুলিশ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ঢাকা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

গ্রেপ্তারকৃত রবিজুল কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের পাটিকাবাড়ি গ্রামের মিয়াপাড়া এলাকার আয়নাল মণ্ডলের ছেলে। সে আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, মানবপাচারের মামলায় কুষ্টিয়ার আলোচিত রবিজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইবি থানায় ৪টিসহ কুষ্টিয়া সদর এবং মিরপুর থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। রবিজুল একজন আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের একজন সদস্য। তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আগামীকাল সোমবার তাকে আদালতে নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লিবিয়ায় থাকার সময় এলাকার তরুণ-যুবকদের সেখানে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করতেন রবিজুল। দেশে আসার পরও একই কাজ করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে টাকা লেনদেন ও মানবপাচারের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। এর পর থেকে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সাত বিয়ে করা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় আসে রবিজুল ইসলামের নাম। সে সময় স্ত্রীরা মিলেমিশে থাকতেন একই বাড়িতে। মায়ের মানত পূরণ করতেই সাতটি বিয়ে করেন বলে জানান তিনি।

রবিজুল ইসলাম ১৫ বছর লিবিয়াতে ছিলেন। লিবিয়াতে থাকার সময় ১৯৯৯ সালে প্রথম বিয়ে করেন। এরপর একে একে করেন আরও ছয় বিয়ে।