১২ কেজি এলপিজির দাম সামান্য কমলো

এপ্রিলে বড় বৃদ্ধির পর জুন মাসে সামান্য কমেছে এলপিজির দাম। ১২ কেজির দাম ১,৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১,৮৮৫ টাকা এবং যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৮৯.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮৬.৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ ১৯ এপ্রিল ১২ কেজিতে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১,৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তার ১৭ দিন আগে ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১,৭২৭ টাকা করেছিল বিইআরসি। অর্থাৎ দুই দফায় ১২ কেজিতে ৫৯৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়।

যদিও গত সাত মাস ধরে বিইআরসি ঘোষিত দরের খুব একটা কার্যকারিতা নেই। বিক্রেতারা ইচ্ছে মাফিক দাম আদায় করছেন। মার্চের দর ১,৩৪১ টাকা থাকলেও ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রির খবর পাওয়া গেছে।

এলপি গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে একের পর এক সুবিধা দেওয়া হয় আমদানিকারকদের। আমদানিসীমা বাড়িয়ে দেওয়া, ট্যাক্স কমানো এবং এলসি ঋণ সুবিধার ধারাবাহিকতায় ফ্রেইটচার্জও (জাহাজ ভাড়া) টন প্রতি ১০৮ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৫০ ডলার করা হয়। শুধু এসব সুবিধা নয়, আমদানিকারকদের দাবির প্রেক্ষিতে ঋণে এলসি খোলার অনুমতি প্রদান করা হয়। তারপরও বাজারের উপর নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো এলপি গ্যাসের দর ঘোষণা করা হয়। তখন বলা হয়েছিল এখন থেকে সৌদি আরবে দর উঠা-নামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠা-নামা করবে। অন্যান্য কমিশন, জাহাজ ভাড়া, আমদানিকারকের কমিশন, ডিলার এবং খুচরা বিক্রেতার কমিশন কমবেশি করতে হলে নতুন করে গণশুনানি করা হবে। ওই ঘোষণার পর থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।