ফেসবুক ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট থেকে আয়ে কর অব্যাহতি দিয়েছে সরকার।
তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের ‘বিশেষ সহায়তা’ দিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছে সরকার। এ আয়ে স্বাভাবিক হারে কর দিতে হতো। সেই কর তুলে দিতে আয়কর আইনের ষষ্ঠ তফসিলে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ অব্যাহতির প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, “বর্তমানে শুধু আইটি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি আছে। এই কর অব্যাহতি সুবিধা অন্য সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ করার প্রস্তাব করছি। এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধপথে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে উৎসাহিত হবেন।”
তিনি আরও বলেন, “তরুণদের উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ যোগাতে সব ধরনের ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের’ আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। তারুণ্যকে প্রাধান্য দিয়ে স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।”
এছাড়া এসএমই উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব রাখেন অর্থমন্ত্রী।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এলাকার বাইরে যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্রের স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ছাড় প্রস্তাব করেন তিনি।
প্রথম বছরে ৬০% এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০% হারে ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করার কথা বলেন মন্ত্রী।