ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার আয়কর বিবরণী বা রিটার্নে দেখানো স্বর্ণ বা স্বর্ণের অলঙ্কার বিক্রির মুনাফায় ১৫% কর দিতে হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই কর বসিয়ে আয়কর আইনে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে 'মূলধনি মুনাফা’ বা ক্যাপিটাল গেইন হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য আমলে নেওয়া হবে।
রিটার্নে এই স্বর্ণ অর্জনের যে সময় দেখানো হবে, তখনকার বাজারমূল্য থেকে বর্তমান বাজারমূল্যের যে ব্যবধান, সে পরিমাণ অর্থ মুনাফা হিসেবে ধরা হবে। আর এই মুনাফার উপরেই বসবে ১৫% কর।
প্রথমবার রিটার্ন দাখিলের সময় অনেক ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা বিয়ে বা পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত বলে বাড়তি স্বর্ণ দেখান। পরে দেখা যায়, তারা নিজেদের অবৈধ আয়ের উৎস হিসেবে এই বাড়তি স্বর্ণ বিক্রির অর্থ বৈধ করছেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময় বলে আসছেন, যে পরিমাণ স্বর্ণ ব্যক্তি করদাতাদের রিটার্নে দেখানো হয়, সেই পরিমাণ স্বর্ণ পুরো দেশেই নেই। মূলত এর মাধ্যমে কর ফাঁকি বন্ধে ১৫% কর আরোপের কথা বলেছে সরকার।
কিন্তু যারা প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ দেখান, তাদের উপর এই নিয়ম নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কেউ কেউ আবার রিটার্নে কয়েকশ ভরি স্বর্ণ দেখালেও সেগুলোর মূল্য বা অর্জনের সময় দেখান না। এই সম্পদ যেন করের আওতায় না আসে, মূলত সেটা এড়াতে এই কৌশল নেওয়া হয়।
নতুন বিধান অনুযায়ী, কেউ যদি মূল্য না দেখান, তাহলে সে পরিমাণ স্বর্ণের পুরোটাই মুনাফা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে ওপর ১৫% কর বসানো হবে।