ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৪ লাখ টাকা হতে যাচ্ছে। এর ফলে বছরে ৬ লাখ টাকার কম বেতন বাবদ আয় (এক-তৃতীয়াংশ কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত) থাকলে কর দিতে হবে না।
এছাড়া, ব্যাংক হিসাব খোলায় জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক এবং জমি-ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য দেখানোর বিশেষ বিধান বাতিল হচ্ছে।
তবে ছাড়ের সীমা কমানো এবং সঞ্চয়পত্র, সরকারি সিকিউরিটিজ, এফডিআরের সুদ থেকে কেটে নেওয়া উৎস করকে চূড়ান্ত কর দায়ের বদলে অগ্রিম কর হিসাবে বিবেচনা করায় করদাতাদের ওপর করের বোঝা বাড়তে পারে।
জানা গেছে, বাজেটে নিয়মিত হারে কর দিয়ে জমি-ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য দেখানোর যে প্রস্তাব করা হয়েছিল, সেটিও আপাতত করা বাতিল হচ্ছে।
পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঞ্চয়কে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে ব্যাংক হিসাব খোলায় করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরের (টিআইএন) বাধ্যবাধকতাও বাতিল করা হচ্ছে। তবে আগের মতোই থাকছে শেয়ারবাজারের লভ্যাংশ আয়ের করহার।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, এসব পরিবর্তন এনে মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থবিল পাস হতে যাচ্ছে। ।
সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতির হাত থেকে সাধারণ মানুষকে কিছুটা রেহাই দিতে সরকার এই সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান বিএনপি সরকার। সে অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে এই সীমা ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। অর্থাৎ করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার টাকা বাড়লো।
এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে।