পরীক্ষা কেন্দ্রে অনৈতিক সহায়তা, প্রধান শিক্ষকসহ আয়া আটক

যশোরের শার্শায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অনৈতিকভাবে সহযোগীতা করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা ও আয়াকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। 

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এ ব্যাপারে শার্শা থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। আটককৃদেরকে শনিবার (৯ মে) সকালে আদালত পাঠানো হয়েছে।” 

ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার দুপুরে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে।  

এ ব্যাপারে শুক্রবার রাতে শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একডেমিক সুপারভাইজার এম নূরুজ্জামান বাদি হয়ে শার্শা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার দুই আসামিকে আটক করে থানা পুলিশ। 

আটককৃতরা হলেন, বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা শাহানারা খাতুন ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি (আয়া) ফাতেমা খাতুন। 

শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একডেমিক সুপারভাইজার এম নূরুজ্জামান বলেন, “বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন চলতি এসএসসি পরীক্ষার্থী। সে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর রুমে পরীক্ষা দিচ্ছে। অহনা ঝিকরগাছার বিকেএস কুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।”

তিনি আরও বলেন, “প্রধান শিক্ষিকা শাহানারা খাতুনের নির্দেশে ঐ প্রতিষ্ঠানের আয়া ফাতেমা খাতুন ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার পর গোপনে তার মেয়ের উত্তরপত্র ঠিক করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে শার্শা উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় শার্শা উপজেলা প্রশাসন অভিযুক্ত ওই দুজনকে আটক করে।” 

অভিযোগ রয়েছে, এই কেন্দ্রটির সচিব মোহাম্মদ গাউসুল আজম, হল সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর রহমান, সদস্য আব্দুস সালাম ও সদস্য মহেন্দ্রনাথ ধরের দায়িত্ব অবহেলা ও স্বজনপ্রীতির কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে। 

বিষয়টির তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় অবিভাবক মহল।