২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হারও ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে ২০২৫ সালে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। সে হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরাও এসব ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফলাফল জানতে পারবে।
এ ছাড়া যেকোনো মুঠোফোন নম্বর থেকে ১৬১৪০ বা ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংবাদপত্র অফিস থেকে কোনো ফলাফল দেওয়া হবে না।
ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।