বাংলা নববর্ষে দুরন্ত টিভি’র বিশেষ আয়োজন “বৈশাখ এলো রে”। অনুষ্ঠানটিতে নেপথ্য কণ্ঠে নববর্ষের বিভিন্ন গান ও কবিতার সঙ্গে কোরিওগ্রাফি করেছেন শিল্পীরা।
“বৈশাখ এলো রে” পরিচালনা করেছেন মনিরুল হোসেন শিপন। অনুষ্ঠানটিতে নৃত্য পরিচালনা করেছেন মোহম্মদ হানিফ, কোরিওগ্রাফি করেছেন সাংস্কৃতিক সংগঠন সাধনা-এর নৃত্যশিল্পীরা এবং নেপথ্যে কণ্ঠ দিয়েছেন সুনিপুণ বড়ুয়া চৌধুরী, ইরা রায় ও প্রাচ্য। দুরন্ত টিভিতে অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে ১লা বৈশাখ, দুপুর ১২টায় ও রাত ৮টায়।
হৈ হৈ হল্লা-সিজন ৩
দুরন্ত টিভিতে পহেলা বৈশাখে থাকছে উৎসবের বিশেষ নাটক “হৈ হৈ হল্লা-সিজন ৩”। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ডাক্তার সফদার চৌধুরীর বাড়ির শিশুদের মধ্যে চলে নানা আয়োজন। এবারের আয়োজনে তারা প্রত্যেকেই তাদের দাদু সফদার চৌধুরীকে নিজেদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে উৎসব উদযাপন করতে চায়। এতে ঘটে বিশাল বিপত্তি। সেই বিপত্তি এবং এর জট খোলা নিয়েই দুরন্ত টিভির উৎসবের বিশেষ নাটক “হৈ হৈ হল্লা-সিজন ৩”।
দুরন্ত টিভিতে “হৈ হৈ হল্লা-সিজন ৩” নাটকটি প্রচারিত হবে পহেলা বৈশাখ সকাল ৯টায় ও রাত ৯টায়।
নাটকটি পরিচালনা করেছেন পার্থ প্রতিম হালদার। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন - শিশুশিল্পী আফরা, সায়ান, ঋদ্ধি, তূর্র্য, ঋ জুনি, কাওসার অন্যান্য চরিত্রে - আবুল হায়াত, শাহনাজ খুশী, ফরহাদ লিমন এবং আরও অনেকে।
বানাই মজার খাবার মা বাবা আর আমি-সিজন ৩
পহেলা বৈশাখে বিশেষ বিশেষ রান্না নিয়ে আসছে দুরন্ত টিভির রান্নার অনুষ্ঠান “বানাই মজার খাবার মা বাবা আর আমি”। অনুষ্ঠানটিতে একজন শিশু তার মা অথবা বাবাকে সঙ্গে নিয়ে আসে। তারা আনন্দ করে, একাল-সেকালের বৈশাখ উদযাপন নিয়ে গল্প করে। বৈশাখ স্পেশাল খাবার হিসেবে পাটিসাপটা পিঠা, সরিষা ইলিশ, ডাবের শরবত আয়োজন করে। এসবের পাশাপাশি বৈশাখী আমেজের অনুষঙ্গ হিসেবে খাবারে যোগ হয় রসগোল্লা, কদমা, নাড়ু, মুড়ি-মুড়কিসহ নানান কিছু।
অনুষ্ঠানটিতে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে তাহ্সিনা রহমান মিঠি ও তার মা।
“বানাই মজার খাবার মা বাবা আর আমি-সিজন ৩” পরিচালনা করেছেন আমিনা নওশিন রাইসার এবং সঞ্চালনা করেছেন রন্ধনশিল্পী আফিফা আখতার লিটা। দুরন্ত টিভিতে অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে পহেলা বৈশাখ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ও বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে।
এছাড়াও পহেলা বৈশাখে দুরন্ত টিভিতে আরো থাকছে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ও সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে গানের অনুষ্ঠান “রঙের খেলায় সুরের ভেলায়”, সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে নৃত্যানুষ্ঠান “বৈশাখী রঙ”।