জিনস কিভাবে ধুলে নতুনের মতো থাকবে

জিনস কিনে আনার কয়েক মাসের মধ্যেই ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে রং। ঠিক যে রং দেখে কিনেছিলেন, কয়েকবার কাচার পর সেই রং একদমই নিষ্প্রভ। দেখতে লাগছে যেন বহু পুরনো।

জিনস এমন এক পোশাক যা টেকসই হলেও, যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে সামান্য ভুল হলেই মুশকিল। মূলত কাচা এবং শুকানোর ভুলে খুব দ্রুত পছন্দের পোশাকটি মলিন হয়ে ওঠে।

ঠিক কিভাবে কাচলে বছরজুড়ে নতুনের মতো থাকবে জিনস। জেনে নিন কিছু সহজ টিপস:

১. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, জিনস রোজ কাচতে হবে এমন নয়। অনেকেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে প্রতিবার ব্যবহারের পরেই জিনস কাচতে দেন। এই অভ্যাসই পোশাকের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। অন্তত ৪-৫ বার ব্যবহারের পর জিনস কাচুন। যদি কোথাও সামান্য দাগ লাগে, তবে পুরো জিনস না কেচে শুধু সেই অংশটুকু পরিষ্কার করে নিন। এতে কাপড়ের বুনন আলগা হয় না এবং রং দীর্ঘস্থায়ী হয়।

২. জিনস কাচার সময় তা উলটে নেওয়া জরুরি। সাধারণত পোশাকের বাইরের দিকটাই আমরা বেশি পরিষ্কার করি। কিন্তু জিনসের ক্ষেত্রে উলটো দিক বাইরে রেখে কাচলে ডিটারজেন্টের সরাসরি প্রভাব রঙের ওপর পড়ে না। ফলে আসল রং চটে যাওয়ার ভয় থাকে না। পোশাকের তন্তু রক্ষায় এটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

৩. পানির তাপমাত্রার দিকেও নজর দিন। ভুলেও জিনস পরিষ্কার করতে গরম পানি ব্যবহার করবেন না। গরম পানি জিনসের তন্তু সঙ্কুচিত করে দেয়, ফলে পোশাকটি মাপে ছোট হয়ে যেতে পারে। সবসময় সাধারণ তাপমাত্রার ঠান্ডা পানি এবং মাইল্ড ডিটারজেন্ট ব্যবহার করুন। উগ্র ক্ষারযুক্ত সাবান জিনসের ক্ষতি করে।

৪. এবার শুকানোর পালা। কড়া রোদে বেশিক্ষণ জিনস মেলে রাখলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিতে রং দ্রুত ফিকে হয়ে যায়। তাই সরাসরি রোদ এড়িয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে বাতাসে জিনস শুকিয়ে নিন।

এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার প্রিয় জিনস কয়েক বছর পরেও নতুনের মতোই দেখাবে।