সকাল ৮টায় অফিসে যান মালিহা (ছদ্মনাম)। ৯-১০ ঘণ্টা টানা অফিস শেষে বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত। দিনের বড় একটি সময় কাটে বসে বসেই। ফলে সমানতালে বাড়ছে মেদ, বাড়তি ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তার যেন কোনো শেষ নেই তার।
মালিহা’র মতো পরিস্থিতি এখন ঘরে ঘরে। ফলে রোগবালাই পিছু ছাড়ছে না, বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্রের মতো রোগ আঁকড়ে ধরছে অনায়াসেই। এগুলি এড়িয়ে চলারও উপায় আছে। আগে থেকেই সজাগ থাকলে রোগের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।
এজন্য তিনটি পরীক্ষা নিয়মিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। চলুন জেনে নেই, কোন পরীক্ষাগুলো নিয়মিত করাটা খুব জরুরি-
ফাস্টিং ব্লাড সুগার বা এইচবিএওয়ানসি
হাঁটাচলা কম হলে শরীরের ভিতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে, বিশেষ করে শরীরের ঊর্ধ্বাঙ্গে যে সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে, এগুলোয় চর্বি জমতে শুরু করে। ফলে ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। এ কারণে ইনসুলিন কাজ না করলে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি। এজন্য ফাস্টিং ব্লাড সুগার বা এইচবিএওয়ানসি পরীক্ষাগুলি করাতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।
লিপিড প্রোফাইল
৯-১০ ঘণ্টা বসে থাকলে ধমনীতে জমাট বাঁধতে শুরু করে কোলেস্টেরল। খারাপ কোলেস্টেরল জমতে থাকলে হৃদ্রোগ আটকানো খুব মুশকিল। তাই প্রতি বছর লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করে দেখাটা খুব জরুরি।
ভিটামিন ডি ৩ পরীক্ষা
বর্তমান দুনিয়ায় ভিটামিন ডি’র স্বল্পতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে অফিসে সারাক্ষণ বদ্ধ এসি ঘরে কাজ করার ফলে শরীরে অভাব হয় ভিটামিন ডি ৩-এর। তাই সারাক্ষণ ক্লান্তি ভাব, হাতে-পায়ে-কোমরে যন্ত্রণা দেখা দিলে ভিটামিন ডি ৩-এর মাত্রা ঠিক আছে কি না, তা জেনে নিতে হবে।