জিম না করেও ৪৫ বছরের পর ফিটনেস ধরে রাখতে যা করবেন

৪৫ বছর পার করে ফেলেছেন অথচ এখনো দারুণ ফিট নারগিস ফাখরি। সম্প্রতি জানালেন, তার ফিটনেসের রহস্য।

জানিয়েছেন, নিয়ম করে খোলা হাওয়ায় এখন সাইকেল চালাচ্ছেন অভিনেত্রী। পড়ন্ত বিকেলে সমুদ্রের ধারের বাঁধানো রাস্তা দিয়ে সাইকেল চালানোর ভিডিও পোস্ট করেছেন।

সেখানে তিনি জানান, প্রতিদিন ২৪ কিলোমিটার করে সাইকেল চালান রকস্টার খ্যাত এই অভিনেত্রী। আর এটাই তার ফিটনেসের  রহস্য।

চলুন জেনে নেওয়া জিমের চেয়েও যে কারণে সাইকেল চালানো বেশি উপকারী

মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে

অনেক জিমে সাইক্লিংয়ের ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু ঘরের বদ্ধ আবহাওয়ায় জিম করতে একঘেয়েমি লাগাটা খুবই স্বাভাবিক। অন্যদিকে, বাইরের হাওয়ায় সাইকেল চালালে, মন ফুরফুরে হয়ে যায়। কারণ এতে নির্গত হয় এন্ডরফিন হরমোন। যা মন ও মেজাজ ভালো করতে দারুণ ভূমিকা পালন করে।

হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত উপকারী

হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য সাইক্লিং খুবই ভালো। এতে কার্ডিয়োভাস্কুলার অসুখের ঝুঁকি কমে। নিয়ম করে সাইকেল চালালে সামগ্রিক ভাবেই শরীরের ব্যায়াম হয়। সাইকেল চালালে সমগ্র শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়, অক্সিজেন সরবরাহ ঠিক থাকে। নিয়মিত সাইক্লিং রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সাইক্লিংয়ের ফলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ভাল হয়, যার ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও বাড়ে।


পেশি হয় মজবুত 

প্যাডেল করে সাইকেল চালাতে হয় বলে পায়ের পেশি মজবুত হয়। আর বাইরে চড়াই-উতরাই জায়গায় বাইসাইকেল চালালে শরীরের উপরের অংশের পেশিও শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। তাই জিমের চেয়েও খোলা হাওয়ায় সাইকেল চালানো খুব কার্যকরী।

সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে, ওজন কমাতেও সাইক্লিং খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সাইকেল চালানোর ফলে যেহেতু পুরো শরীরের ব্যয়াম হয়, তাই ক্যালোরি ক্ষয় হয় দ্রুত। পাশাপাশি, সাইকেল চালানোর জন্য শরীরের ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে, রাস্তায় সাইকেল চালাতে দরকার মনঃসংযোগের। ফলে মন ও শরীর, দুই-ই একসঙ্গে সচল থাকে।