হেডফোন না ইয়ারফোন, কোনটি কানের জন্য ভালো জেনে নিন

অনেকেরই রাতে ঘুমোনোর সময়ে কানে ইয়ারফোন গুঁজে গান না শুনলে ঘুম আসে না। আবার, একঘেয়ে কাজের অবসাদ কাটাতেও অনেকে কানে ইয়ারফোন দিয়ে রাখেন সবসময়। আবার স্বাস্থ্য সচেতন অনেকে মনে করেন, ইয়ারফোনের চেয়ে আকারে বেশ খানিকটা বড় হেডফোন কানে দেওয়া নাকি অনেক ভালো। তবে অনেকেই মনে করেন হেডফোন ইয়ারফোনের মতো কানের ভেতরে প্রবেশ করে না বলে ক্ষতির আশঙ্কাও কম। তবে নাক-কান-গলার চিকিৎসকেরা বলছেন, কানের ক্ষতি আটকাতে দু’টির মধ্যে থেকে যদি একটিকে বেছে নিতে হয়, তা হলে হেডফোনই বেছে নেওয়া উচিত।

কানের ভেতর ময়লা জমে যা নিয়মিত পরিষ্কার করেন না অনেকেই। এই অবস্থায় ইয়ারফোন কানের ভেতরে প্রবেশ করার সময় কানের ভিতরে থাকা ময়লা আরও ভিতরে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে গোসলের সময় কানে পানি গিয়ে কানে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে। এছাড়াও ইয়ারফোনের তীক্ষ্ণ শব্দ সরাসরি কানের ক্ষতি করে।

দীর্ঘদিন ধরে ইয়ারফোন ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তি হারিয়ে যেতে পারে। চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে ‘‘নয়েজ় ইনডিউজ়ড হিয়ারিং লস’’ বলা হয়। তবে প্রয়োজনে যদি ইয়ারফোন বা হেডফোন ব্যবহার করতেই হয়, সে ক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্য কানে দেওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে শব্দের মাত্রা থাকতে হবে ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে। যদি নিয়মিত এই ধরনের যন্ত্র কানে দিতেই হয়, সে ক্ষেত্রে কিছু দিন অন্তর চিকিৎসকের কাছে গিয়ে কান পরীক্ষা করিয়ে নেওয়াই উত্তম।