তেহরানকে "ভদ্র আচরণ করা উচিত" বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
এর আগে মঙ্গলবার ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, “ইরান যদি আগামী সপ্তাহে আলোচনায় ফিরে না আসে তাহলে তাদের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে।”
পরদিন বুধবার সাংবাদিকরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে জানতে চান ইরানের ওপর হামলার আগে তাদেরকে কোনো ডেডলাইন দেওয়া হবে কি না। সেই প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, "আমি ডেডলাইন দিতে পছন্দ করি না। কিন্তু তারা খুব ভালো করেই জানে, তারা পুরো বিষয়টাই জানে.... তাদের ভদ্র আচরণ করা উচিত।"
বুধবার সন্ধ্যায় ট্রাম্পের এ বক্তব্যের পরই ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী "জাহাজগুলোকে হুমকি দিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে ব্যবহার" করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী সেন্টকম।
এছাড়া ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নতুন করে জারি করা অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টার পর পৃথক একটি জাহাজে গুলি চালানোর কথাও জানিয়েছে তারা।
মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ইরান হামলা চালিয়েছে- এমন দাবি করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
এদিকে, ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, তেহরান যদি এই চুক্তি থেকে উপকৃত না হয় তাহলে এটি মেনে চলার "কোনো কারণ নেই"।
এর পরপরই নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, “তারা (যুক্তরাষ্ট্র) যাতে তার ও তাদের মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানির রুট বন্ধ হওয়ার অপেক্ষায় থাকে।”
কিন্তু কোন কোন রুট এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেনি তারা।