যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই ও অংশ নেওয়া দেশগুলোর পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা কেন্দ্র (আইপিসিসি) বিশ্বকাপজুড়ে প্রতিদিন নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সেই গোপন নথির একটি অংশ প্রকাশ করেছে । সেখান থেকেই জানা গেছে, বিশ্বকাপের অনেক তারকা ফুটবলার, কোচ ও রেফারিরা পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে প্রাণনাশের হুমকি ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন।
স্পেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম প্রেনসা ইবেরিকার অনুসন্ধানী অপরাধবিষয়ক চ্যানেল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালে ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে ছিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি লিওনেল মেসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচের দিন টেক্সাসের ডালাস বিমানবন্দরে পুলিশকে ফোন করে এক ব্যক্তি বলেন, তিনি ও সঙ্গীরা মিলে “হাতে বানানো বোমা ও এআর-১৫ সেমিঅটোমেটিক রাইফেল” নিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছেন।
এফবিআইয়ের ফাঁস হওয়া গোপন নথির বরাতে এসব জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
মিশরের বিপক্ষে ম্যাচের আগেও এ ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ম্যাচ চলাকালেও পুলিশ হেডকোয়ার্টারে কল দিয়ে জানানো হয়, স্টেডিয়ামের তিনটি ডাস্টবিনে তিনটি বোমা রাখা আছে, এমন তথ্য। এরপর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত কুকুর নিয়ে পুরো স্টেডিয়ামে ব্যাপক তল্লাশি চালাতে হয়।
আতঙ্কমুক্ত ছিলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও। এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি রোনালদোর থাকার ব্যবস্থা সম্পর্কে গভীর ‘খোঁজখবর’ নিচ্ছেন। ১৬ জুন হিউস্টনে পর্তুগাল দল যে হোটেলে উঠেছিল, সেখান থেকে ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।