ইরানকে ৩ রণতরী দিয়ে ঘিরে ফেলছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের আশপাশে তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট তার স্ট্রাইক গ্রুপসহ মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করা ইউএসএস থিওডর রুজভেল্টকে ইরানের আশপাশে মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ ইরানের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন থাকবে।

এর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে মোতায়েনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্সের সদস্যরাও স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে রওনা দিয়েছেন। এতে স্থলবাহিনীর অংশ হিসেবে দুই হাজারের বেশি মার্কিন মেরিন সেনা রয়েছেন।

ওই সামরিক কর্মকর্তা জানান, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন থাকবে। তিনি বলেন, "ইরানের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে আমাদের নেতাদের হাতে অনেক বিকল্প রয়েছে।"

এদিকে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরান দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ইরানকে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

টেক্সাসে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতার সময় তিনি বলেন, "ইরানকে হয় যথাযথ ও বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ নিতে হবে, নাহয় তারা বেশিদিন টিকবে না।"

যেকোনো চুক্তির প্রতি ইরান সম্মান দেখাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, "যখন আমরা কারো সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাই, তখন আমরা সেটার সম্মান করি। কিন্তু আপনি যখন তাদের (ইরান) সঙ্গে কোনো চুক্তি করবেন, তারা সেটিকে সম্মান করে না।"

এদিকে, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটের মধ্যেই বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইউরোপের দেশগুলোকে তাদের জরুরি জ্বালানি মজুত থেকে ডিজেল ছাড়ার জন্য বলতে পারে।